Published · 18 Oct 2026
ফার্মেসি সফটওয়্যার বাংলাদেশ — ওষুধের দোকানের হিসাব কীভাবে সহজ হয়
বাংলাদেশে ফার্মেসি চালানো মানে শুধু ওষুধ বেচা নয় — প্রতিটা বিক্রিতে ব্যাচ নম্বর রাখতে হয়, মেয়াদ দেখতে হয়, ভ্যাট চালান ইস্যু করতে হয়। এতগুলো কাজ একসাথে কাগজে রাখা প্রায় অসম্ভব, আর ভুল হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জবাবদিহি করতে হয়।
ভালো ফার্মেসি সফটওয়্যার এই পুরো চক্রটাকে একটা স্ক্রিনে নামিয়ে আনে।
ফার্মেসিতে যে কারণে সাধারণ দোকান সফটওয়্যার কাজ করে না
সাধারণ পিওএস বা দোকান হিসাবের সফটওয়্যার ফার্মেসির জন্য অপর্যাপ্ত কারণ তিনটা বিষয় নিয়ে কাজ করে না:
ব্যাচ নম্বর। একই ওষুধের বিভিন্ন ব্যাচ আলাদা করে রাখতে হয় — কোনটা কোন তারিখে কিনলেন, কোনটার মেয়াদ কবে। কোনো সমস্যা হলে নির্দিষ্ট ব্যাচটা ট্র্যাক করা যায় এমনভাবে।
মেয়াদ সতর্কতা। ৩০ দিনের মধ্যে মেয়াদ শেষ হওয়া ওষুধের তালিকা না থাকলে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির ঝুঁকি থাকে।
ভ্যাট চালান। ফার্মেসি ভ্যাট নিবন্ধিত হলে প্রতিটা বিক্রিতে মূসক ৬.৩ চালান দিতে হয়। বিআইএন ছাড়া এই চালান বৈধ নয়।
সফটওয়্যারে কী দেখবেন
ব্যাচ ও মেয়াদ ট্র্যাকিং
প্রতিটা পণ্য কেনার সময় ব্যাচ নম্বর আর মেয়াদের তারিখ ঢোকানো যায় কিনা দেখুন। এবং বিক্রির সময় কোন ব্যাচ থেকে বিক্রি হচ্ছে সেটা আলাদা করে দেখাতে পারে কিনা।
ভালো সিস্টেম FEFO (First Expired, First Out) নীতিতে কাজ করে — মেয়াদ আগে শেষ হবে, সেটা আগে বিক্রি করার পরামর্শ দেয়।
ওষুধের ক্যাটালগ
বাংলাদেশে ২৫,০০০ এর বেশি রেজিস্টার্ড ওষুধ আছে। প্রতিটা হাতে টাইপ করতে হলে নতুন পণ্য যোগ করা বিশাল ঝামেলা। প্ল্যাটফর্মে আগে থেকে দেশের ওষুধের তালিকা থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়।
রিঅর্ডার অ্যালার্ট
স্টক শেষ হওয়ার আগে সতর্কতা পেলে সাপ্লায়ারকে সময়মতো অর্ডার দেওয়া যায়। এটা ছাড়া স্টকআউট হয় এবং বিক্রি হাতছাড়া যায়।
ডিসকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট
ফার্মেসিতে নিয়মিত ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে নির্দিষ্ট ছাড় দেওয়া হয়। সিস্টেমে ডিসকাউন্ট প্রোফাইল সংরক্ষণ করা গেলে প্রতিবার ম্যানুয়ালি হিসাব করতে হয় না।
বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সম্মতি
বিআইএন আবশ্যক। ভ্যাট নিবন্ধিত ফার্মেসিতে বিআইএন ছাড়া কোনো বিক্রির চালান বৈধ নয়।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। কিছু বিশেষ ওষুধ (নারকোটিক, সাইকোট্রপিক) বিক্রির রেকর্ড আলাদাভাবে রাখতে হয়। সফটওয়্যারে এই বিভাগ আলাদা করা থাকলে নিরীক্ষার সময় তথ্য বের করা সহজ।
শুরু করবেন কোথা থেকে
অনেক ফার্মেসি মালিক মনে করেন সফটওয়্যারে ডেটা ঢোকানো বিশাল কাজ। বাস্তবে এটা তিন ধাপে হয়:
১. সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ৫০টা পণ্য দিয়ে শুরু করুন। এই পণ্যগুলো ঢুকলেই রোজকার বেশিরভাগ কাজ সিস্টেমে হয়। ২. নতুন কেনাকাটা থেকে ব্যাচ ট্র্যাকিং শুরু হোক। পুরনো স্টক পরে ঢোকানো যাবে। ৩. এক সপ্তাহ পর দেখুন। মেয়াদ শেষ হওয়ার অ্যালার্ট আর স্টক রিপোর্ট দেখলেই বুঝবেন সিস্টেমটা কতটা কাজে লাগছে।
Baki.bd ফার্মেসির জন্য বাংলায় তৈরি — ২৫,০০০ ওষুধের প্রি-লোডেড ক্যাটালগ সহ, বিআইএন ও ভ্যাট ইন্টিগ্রেটেড।
Ready to try it in your own shop?
Start free, or tell us about your shop on WhatsApp and we come and set it up.