মেনু
Baki.bd
সব গাইড

প্রথম বিকেল · ৪ মিনিটের পড়া

কাউন্টারে প্রথম বিল কাটা

পণ্য তোলা থেকে টাকা নেওয়া পর্যন্ত পুরো পথটা, আর বাকিতে দিলে কী হয়।

কাউন্টারের স্ক্রিনটা একটাই কাজের জন্য বানানো — লাইনে দাঁড়ানো ক্রেতাকে দ্রুত বিদায় করা। মাউস ছাড়াই পুরো বিল কাটা যায়।

চার ধাপে একটা বিল

১। পণ্য তুলুন। বারকোড থাকলে স্ক্যান করুন। না থাকলে উপরের ঘরে নামের প্রথম কয়েকটা অক্ষর লিখুন — তালিকা ছোট হয়ে আসবে, তারপর এন্টার চাপুন। একই পণ্য দুবার তুললে সংখ্যা নিজে থেকে দুই হয়ে যায়, আলাদা লাইন হয় না।

২। সংখ্যা ঠিক করুন। লাইনের উপর সংখ্যার ঘরে সরাসরি লিখে দিন। কেজি বা লিটার হলে দশমিকও চলে — ১.৫ লিখতে পারবেন।

৩। টাকা নিন। নিচের বোতামে চাপ দিলে টাকা নেওয়ার ঘর আসে। নগদ, কার্ড, বিকাশ, নগদ — যেভাবে টাকা এসেছে সেটাই বেছে নিন। একজন ক্রেতা অর্ধেক নগদে আর অর্ধেক বিকাশে দিলে দুটোই বসানো যায়।

৪। বিল ছাপুন। ছাপার দরকার না থাকলে বাদ দিন। ক্রেতার নম্বর বসানো থাকলে বিলটা তাঁকে খুদে বার্তায় পাঠানোও যায়।

বাকিতে দিলে

টাকা নেওয়ার ঘরে যা নিয়েছেন তার চেয়ে কম বসান — বাকিটা নিজে থেকেই ক্রেতার খাতায় উঠে যাবে। এর জন্য আলাদা কিছু করতে হবে না।

শর্ত একটাই — বিলটা কোনো ক্রেতার নামে হতে হবে। নাম না বসালে বাকিটা কার খাতায় উঠবে সিস্টেম জানবে না, তাই বাকির ঘরটাই খুলবে না। উপরের দিকে ক্রেতার ঘরে নম্বর বা নাম লিখলে পুরনো ক্রেতা বেরিয়ে আসবে; নতুন হলে ওখান থেকেই যোগ করে নেওয়া যায় — শুধু নাম আর নম্বর।

বিল আটকে রাখা

মাঝপথে কারও বিল থামিয়ে অন্য কাউকে দিতে হলে বিলটা ধরে রাখুন। এটা তালিকায় জমা থাকে, আর যখন খুশি আবার খুলে বাকি কাজ শেষ করা যায়। লাইনে দাঁড়ানো মানুষ যাতে অপেক্ষা না করেন, তার জন্যই এটা।

ভুল হয়ে গেলে

  • টাকা নেওয়ার আগে — লাইন মুছে দিন বা পুরো বিল বাতিল করুন। কোনো চিহ্ন থাকবে না।
  • টাকা নেওয়ার পর — বিলটা মুছবেন না। ফেরত দিন। বিক্রির তালিকা থেকে বিলটা খুলে ফেরত দিলে স্টক ফেরত আসে, টাকা ফেরত যায়, আর ভ্যাটের হিসাবও নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। মুছে ফেললে দিনের হিসাব আর ভ্যাটের কাগজ দুটোই ভুল হবে।

মোছার বদলে ফেরত দেওয়ার কারণ সোজা — খাতায় কাটাকুটি করলে যা হয়, মুছে ফেললেও তাই হয়। কে কখন কী ফেরত দিল, সেটা থেকে যাওয়াই নিরাপদ।

প্রথম দিনেই যা করে দেখবেন

একটা সত্যিকারের বিল কেটে ছাপিয়ে দেখুন — কাগজে দোকানের নাম, ঠিকানা আর নম্বর ঠিকঠাক আসছে কি না। না এলে ওয়ার্কস্পেসের সেটিংসে গিয়ে একবার বসিয়ে দিন। এটা যত আগে করবেন, তত ভালো — কারণ ভুল ঠিকানাসহ দুইশো বিল ছাপার পর মনে পড়াটা সবচেয়ে বাজে।

এই স্ক্রিনটা সব অ্যাপ্লিকেশনে একইভাবে চলে, তাই গাইডটা সবার জন্য একবারই লেখা।

আসল কাজে নামার আগে দেখে নিন

মাসের পর মাসের বেচাকেনা ভরা একটা ডেমো ওয়ার্কস্পেস খুলুন আর ধাপগুলো ওখানেই করে দেখুন। ওখানে যা করবেন, নিজের দোকানে তার কিছুই লাগবে না।

ডেমো খুলুন