মেনু
Baki.bd
সব গাইড

চালু হয়ে যাওয়ার পর · ৫ মিনিটের পড়া

ব্যাচ, মেয়াদ আর ফেরত দাবি

ওষুধ ব্যাচ ধরে কেন তুলতে হয়, মেয়াদের বোর্ড কী দেখায়, আর কোম্পানিতে ফেরত পাঠানোর হিসাব।

ওষুধের দোকানের সঙ্গে অন্য দোকানের সবচেয়ে বড় তফাত এইটাই — এখানে "১০০ পাতা নাপা আছে" যথেষ্ট তথ্য নয়। কোন ব্যাচের, আর কবে মেয়াদ শেষ — সেটা জানতেই হয়।

চালানে ব্যাচ তোলা

মাল তোলার সময় প্রতিটি লাইনে ব্যাচ নম্বর আর মেয়াদের তারিখ বসান। বাক্সের গায়েই দুটোই লেখা থাকে।

প্রথম কয়েক দিন এটা বাড়তি কাজ মনে হয়। কিন্তু এই দুটো ঘর না ভরলে বাকি সব কিছু অচল — মেয়াদের বোর্ড খালি থাকবে, ফেরত দাবির হিসাব হবে না, আর কোন পাতাটা কবে ঢুকেছিল তা কেউ বলতে পারবে না।

একই ওষুধ দুই ব্যাচে থাকলে দুটো আলাদা লাইন হবে, একটাই নয়। এটাই ঠিক — ওরা আলাদা জিনিস, শুধু নামটা এক।

বিক্রির সময়

বিক্রিতে ওষুধ তুললে সিস্টেম সবচেয়ে আগে মেয়াদ শেষ হবে এমন ব্যাচ থেকে কাটে। এটাই ওষুধের দোকানের স্বাভাবিক নিয়ম, আর এটা নিজে থেকেই হয়।

তাই তাকেও একই নিয়মে সাজান — যেটার মেয়াদ আগে শেষ, সেটা সামনে। সিস্টেম আর তাক একই নিয়মে চললে গোলমাল হয় না।

মেয়াদের বোর্ড

এই স্ক্রিনটা সামনের মাসগুলো দেখায়, প্রতিটিতে কয়টা ব্যাচের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। যে মাসে কিছু শেষ হচ্ছে, সেটা লাল হয়ে থাকে।

সপ্তাহে একবার দেখুন। এটাই সেই অভ্যাস যেটা ওষুধের দোকানে সবচেয়ে বেশি টাকা বাঁচায়।

দেখার পর তিনটে কাজের একটা করুন:

  1. তিন-চার মাস বাকি — বিক্রির চেষ্টা করুন। কম্পাউন্ডারকে বলুন এই ব্যাচটা আগে বের করতে।
  2. কোম্পানি ফেরত নেয় — ফেরত দাবির তালিকায় তুলে রাখুন। বেশিরভাগ কোম্পানি মেয়াদ শেষের একটা নির্দিষ্ট সময় আগে পর্যন্তই ফেরত নেয়, তাই দেরি করলে সুযোগটাই চলে যায়।
  3. মেয়াদ পেরিয়ে গেছে — নষ্ট হিসেবে বাদ দিন। তাকে রেখে দেবেন না।

ফেরত দাবি

ফেরত দাবির স্ক্রিনে সেইসব ব্যাচ জমা হয় যেগুলো আপনি কোম্পানিতে ফেরত পাঠাচ্ছেন। কোন সরবরাহকারীর কাছে কত টাকার মাল ফেরত গেছে আর কতটা এখনও ফেরত পাননি — সব এক জায়গায়।

এটা না রাখলে যা হয়, তা বেশিরভাগ দোকানেই হয়: মাল ফেরত যায়, তারপর কেউ আর মনে রাখেন না টাকাটা এসেছিল কি না। বছরে এভাবেই ভালো অঙ্কের টাকা চুপচাপ হারিয়ে যায়।

মেয়াদ পেরোনো মাল বাদ দেওয়া

নষ্ট হিসেবে বাদ দিলে স্টক থেকে চলে যায়, আর ক্ষতিটা খরচ হিসেবে লেখা হয়। সংখ্যাটা দেখতে খারাপ লাগে বলে বাদ না দিয়ে রেখে দেবেন না — মেয়াদ পেরোনো ওষুধ স্টকে থেকে গেলে বিক্রি হয়ে যাওয়ার আসল ঝুঁকি থাকে, আর সেটা টাকার চেয়ে অনেক বড় সমস্যা।

আসল কাজে নামার আগে দেখে নিন

মাসের পর মাসের বেচাকেনা ভরা একটা ডেমো ওয়ার্কস্পেস খুলুন আর ধাপগুলো ওখানেই করে দেখুন। ওখানে যা করবেন, নিজের দোকানে তার কিছুই লাগবে না।

ডেমো খুলুন