চালু হয়ে যাওয়ার পর · ৩ মিনিটের পড়া
ফেরত আর বদল
টাকা নেওয়ার পর ভুল ধরা পড়লে কী করবেন, আর কেন বিল মুছে ফেলা সবচেয়ে খারাপ পথ।
টাকা নেওয়ার পর কিছু বদলাতে হলে দুটো পথ — ফেরত, নয়তো বদল। কোনোটাই "বিল মুছে দেওয়া" নয়।
কেন মুছবেন না
মুছে ফেলা সবচেয়ে সহজ মনে হয়, আর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে:
- দিনের বিক্রির হিসাব বদলে যায়, অথচ ড্রয়ারের টাকা বদলায় না — দিন শেষে গরমিল।
- ভ্যাটের সারসংক্ষেপ থেকে একটা বিক্রি উধাও হয়ে যায়, যেটা আসলে হয়েছিল।
- কে কী ফেরত দিলেন তার কোনো চিহ্ন থাকে না।
ফেরত দিলে এই তিনটেই ঠিক থাকে। খাতায় কাটাকুটি না করে উল্টো এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মটা এখানেও একই।
ফেরত
বিক্রির তালিকা থেকে বিলটা খুলুন, আর ফেরত দিন। যেটুকু ফিরে আসছে সেই লাইনগুলো বেছে নিন — পুরো বিল ফেরত না হলে অংশও ফেরত দেওয়া যায়।
যা নিজে থেকে হয়:
- স্টক ফিরে আসে। মাল আবার বিক্রির যোগ্য না হলে ফেরত নেওয়ার পর সেটা নষ্ট হিসেবে বাদ দিয়ে দিন।
- দাম আসে মূল বিল থেকে, আজকের দাম থেকে নয়। ক্রেতা যা দিয়েছিলেন তাই ফেরত পান, মাঝখানে দাম বাড়লেও।
- ভ্যাটও ফেরত যায়, ওই লাইনের নিজের হারেই।
টাকা কীভাবে ফেরত দিচ্ছেন সেটা বসান। বাকিতে কেনা মাল ফেরত এলে টাকা না দিয়ে তাঁর বাকিটাই কমিয়ে দিন।
বদল
ক্রেতা মাল ফেরত দিয়ে অন্য মাল নিলে সেটা বদল — দুটো আলাদা কাজ নয়, একটাই।
নতুন মালের দাম বেশি হলে বাকিটা নিন; কম হলে ফেরত দিন বা তাঁর খাতায় জমা রাখুন। দুটো আলাদা বিল কেটে সমান করার চেষ্টা করবেন না — তাতে দিনের বিক্রি দুবার গোনা হয়ে যায়, আর সেই দিনটা বাস্তবের চেয়ে ভালো দেখায়।
মাসে একবার দেখার মতো
ফেরতের তালিকাটা মাসে একবার দেখুন। বেশি ফেরত সাধারণত তিনটের একটা বলে — কোনো সরবরাহকারীর মাল খারাপ আসছে, কোনো কর্মী ভুল মাল ধরিয়ে দিচ্ছেন, নয়তো কোনো পণ্যের বর্ণনা তাকে ভুল লেখা।
তিনটেই সমাধানযোগ্য, কিন্তু কেবল তখনই, যখন ফেরতগুলো সত্যিই লেখা হয়েছে।
এই স্ক্রিনটা সব অ্যাপ্লিকেশনে একইভাবে চলে, তাই গাইডটা সবার জন্য একবারই লেখা।
আসল কাজে নামার আগে দেখে নিন
মাসের পর মাসের বেচাকেনা ভরা একটা ডেমো ওয়ার্কস্পেস খুলুন আর ধাপগুলো ওখানেই করে দেখুন। ওখানে যা করবেন, নিজের দোকানে তার কিছুই লাগবে না।
ডেমো খুলুন