চালু হয়ে যাওয়ার পর · ৩ মিনিটের পড়া
লেবেল, বারকোড আর সিরিয়াল নম্বর
নিজের বারকোড ছাপানো, দাম বদলালে লেবেল বদলানো, আর কোন মালে সিরিয়াল রাখতে হয়।
বারকোড না থাকলে
অনেক মালেই ছাপানো বারকোড থাকে না — খোলা মাল, স্থানীয় কোম্পানির পণ্য, নিজে প্যাকেট করা জিনিস। এদের জন্য নিজের বারকোড বানিয়ে ছাপিয়ে নেওয়া যায়।
লেবেলের স্ক্রিনে যান, পণ্য বেছে নিন, কয়টা লেবেল লাগবে বসান, আর ছাপান। সাধারণ লেবেল প্রিন্টারেও চলে, আবার এক পাতায় অনেকগুলো করে সাধারণ প্রিন্টারেও ছাপানো যায়।
লেবেলে সাধারণত থাকে পণ্যের নাম, দাম আর বারকোড। কী কী থাকবে তা বেছে নেওয়া যায় — তবে নাম আর দাম দুটোই রাখুন। শুধু বারকোডওয়ালা লেবেল যন্ত্রের কাজে লাগে, মানুষের কাজে লাগে না, আর তাকে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতা দাম খুঁজে না পেলে জিজ্ঞেস না করেই চলে যান।
দাম বদলালে
দাম বদলে ফেললে লেবেলও বদলাতে হয়। তাকের দাম আর সিস্টেমের দাম আলাদা হয়ে গেলে কাউন্টারে তর্ক শুরু হয়, আর সেই তর্কে সাধারণত দোকানই হারে।
সহজ অভ্যাস: দাম বদলানোর পর সঙ্গে সঙ্গে ওই পণ্যের লেবেল ছাপিয়ে বদলে দিন। কাজটা এক মিনিটের, আর পরে করব ভাবলে কখনওই করা হয় না।
সিরিয়াল বা আইএমইআই
মোবাইল ফোন, দামি যন্ত্র বা ওয়ারেন্টি থাকা জিনিসের ক্ষেত্রে প্রতিটি একক আলাদা — একই মডেলের দুটো ফোন এক জিনিস নয়, কারণ তাদের সিরিয়াল আলাদা।
এইসব পণ্যে সিরিয়াল রাখা চালু করে দিন। তারপর:
- কেনার সময় প্রতিটি এককের সিরিয়াল বসাতে হবে।
- বিক্রির সময় কোন এককটা গেল তা বাছতে হবে।
- বিলে সিরিয়ালটা ছাপা হয়ে যাবে।
এর আসল দাম বোঝা যায় ছয় মাস পর, যখন কেউ নষ্ট ফোন নিয়ে ফিরে আসেন। সিরিয়াল দিয়ে খুঁজলেই বেরিয়ে আসে কবে বিক্রি হয়েছিল, কত দামে, ওয়ারেন্টি আছে কি না। এটা না থাকলে পুরোটাই ক্রেতার কথার উপর নির্ভর করতে হয়।
সব পণ্যে সিরিয়াল রাখতে যাবেন না। সাবানের সিরিয়াল রাখা মানে কাউন্টারের গতি নষ্ট করা আর বিনিময়ে কিছুই না পাওয়া। যেসব জিনিস দামি, ওয়ারেন্টিওয়ালা, বা যেগুলো নিয়ে ঝামেলা হতে পারে — শুধু সেগুলোতেই রাখুন।
আসল কাজে নামার আগে দেখে নিন
মাসের পর মাসের বেচাকেনা ভরা একটা ডেমো ওয়ার্কস্পেস খুলুন আর ধাপগুলো ওখানেই করে দেখুন। ওখানে যা করবেন, নিজের দোকানে তার কিছুই লাগবে না।
ডেমো খুলুন